উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) ভোর থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। এতে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। বৃষ্টির পাশাপাশি জেলার নদ-নদীর পানির উচ্চতাও স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।
এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। সাগরে ছোট-বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ কারণে পটুয়াখালীর পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া পটুয়াখালী, খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া এবং বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি বলেন, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন