দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বন্যাপ্রবণ তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়েছে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিনে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি সমতল কমেছে। আগামী দুই দিন এসব নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী তিন দিন পানি বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, গঙ্গা নদীর পানি সমতল বেড়েছে এবং পদ্মার পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। তবে এসব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদীগুলোতে পানি কমছে
পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। হালদা নদীর পানি সমতল অপরিবর্তিত রয়েছে। এসব নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আগামী এক দিন এসব নদীর পানি আরও কমতে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।
তিস্তা-দুধকুমারে বাড়ছে পানি
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। বিপরীতে ধরলা নদীর পানি কমেছে। তবে তিনটি নদীর পানিই বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আগামী দুই দিন তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তৃতীয় দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
সুরমা-কুশিয়ারার পানিও বাড়তে পারে
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে আগামী এক দিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। তৃতীয় দিনে চট্টগ্রাম বিভাগেও বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে।
এতে সংশ্লিষ্ট নদ-নদীর পানি সমতলে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন