ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রকাশ করা সরকারবিরোধী, নেতিবাচক, বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর কনটেন্ট মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
গত ১৭ আগস্ট মাউশি অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশিকা ও আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ জারি করা হয়েছে।
মাউশির চিঠিতে আরও বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন কি না, তা পরিবীক্ষণের জন্য এই মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাউশির আওতাধীন কোনো শিক্ষক-কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকা পরিপন্থি কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করলে তা নজরে আসার পর যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
বিশেষ করে আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর, অসত্য, নেতিবাচক কিংবা দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে—এমন স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট বা অন্যান্য কনটেন্ট মনিটরিং কমিটিকে জানাতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে এসব বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কমিটির আহ্বায়ককে ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সরকারি নির্দেশনা ও আচরণবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন