সাময়িক সংকটকালীন সময়ে শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটে না পড়ে, সে জন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পাশাপাশি ২ডি ও ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা এবং সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে Onshore Model PSC 2026 প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে।
বাড়ছে এলএনজি সরবরাহের সক্ষমতা
প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গড়ে প্রতিদিন ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।
ভবিষ্যতে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ গ্যাস সরবরাহের আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে এনে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্যাস প্রাপ্তি সাপেক্ষে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন